ভাষার দাবীতে বাঙালি এক হয়েছিল, নিজেকে এক-জাতি বলে চিনতে পেরেছিল। সেই জাতির জন্যে অনেক রক্তে অনেক ভালবাসায় প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এক রাষ্ট্রের। সেই ভাষার কী হল? প্রয়োজন ফুরালে তাকে ফেলে দিয়েছে রাষ্ট্র-জবরদখলকারী কুচক্র। স্বাধীন দেশ অথচ মানুষ অধীন, কখনও সশস্ত্র উর...্দিধারীর কখনও সশস্ত্র টুপিওয়ালার এবং সতত দারিদ্রের বৈষম্যের সামাজিক অনাচার-অত্যাচারের। মানুষকে স্বাধীন করে বিকাশমান করতে পারলেই এই দেশ এই রাষ্ট্র সার্থকতা পাবে, মানুষ তার আপন জমি আপন জীবনের দখল পাবে।
এই ব্রতসাধনের জন্য আবারও যেতে হবে সেই ভাষার কাছে। ভাষার এক করবার শক্তির কাছে, বিচিত্র এবং গভীর করে গড়বার সেই সভ্যতা সংস্কৃতির জননীস্বরূপার কাছে। কণ্ঠশীলন এই যাত্রা আরম্ভ করেছে সাতাশ বৎসর আগে, ১৯৮৪-তে। সুবাচন চর্চার নিয়মিত পাঠক্রমের মধ্য দিয়ে এ-পর্যন্ত প্রায় ছয় হাজার তরুণ-তরুণীকে কণ্ঠশীলন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাথমিক তথাচ তন্নিষ্ঠ পাঠ দিয়েছে। অগ্রসর এবং গভীর আস্বাদের আগ্রহীরা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে নিরন্তর অনুশীলনের ফল হিসেবে উপহার দিয়ে চলেছেন আবৃত্তি অনুষ্ঠান, শ্রুতিনাট্য ও মঞ্চনাটক।
কণ্ঠশীলন কদাচ কিছু মঞ্চ ও মাইক্রোফোন-সফল পারফর্মার-মাত্র গড়তে চায়নি। এখানে ভাষাকে ভালবেসে যত মানুষ লগ্ন হয়েছে, একে অপরে ঘন হয়ে ঘিরেছে জীবন ও সমাজের ধারক বৃত্তিগুলিকে, তারা সর্বতোমুখী বিকাশের চর্চায় নিরত।
এই ব্রতসাধনের জন্য আবারও যেতে হবে সেই ভাষার কাছে। ভাষার এক করবার শক্তির কাছে, বিচিত্র এবং গভীর করে গড়বার সেই সভ্যতা সংস্কৃতির জননীস্বরূপার কাছে। কণ্ঠশীলন এই যাত্রা আরম্ভ করেছে সাতাশ বৎসর আগে, ১৯৮৪-তে। সুবাচন চর্চার নিয়মিত পাঠক্রমের মধ্য দিয়ে এ-পর্যন্ত প্রায় ছয় হাজার তরুণ-তরুণীকে কণ্ঠশীলন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাথমিক তথাচ তন্নিষ্ঠ পাঠ দিয়েছে। অগ্রসর এবং গভীর আস্বাদের আগ্রহীরা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে নিরন্তর অনুশীলনের ফল হিসেবে উপহার দিয়ে চলেছেন আবৃত্তি অনুষ্ঠান, শ্রুতিনাট্য ও মঞ্চনাটক।
কণ্ঠশীলন কদাচ কিছু মঞ্চ ও মাইক্রোফোন-সফল পারফর্মার-মাত্র গড়তে চায়নি। এখানে ভাষাকে ভালবেসে যত মানুষ লগ্ন হয়েছে, একে অপরে ঘন হয়ে ঘিরেছে জীবন ও সমাজের ধারক বৃত্তিগুলিকে, তারা সর্বতোমুখী বিকাশের চর্চায় নিরত।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন